বন্ধুরা আপনারা কি কথা ভুলে গেছেন নাকি

বন্ধুরা আপনারা কি কথা ভুলে গেছেন নাকি আসলে ওর ভুমিকাটা এই গল্পে কম তাই ওর কথা

বেশি একটা বলা হয় না। যাই হোক বেশি কথা না বলে গল্পে ফেরা যাক। আমি আফিয়াকে বললাম

এখন তোমার কাজ আমকে উপরে নিয়ে চলো।যথা আগ্গা আমার মহারাজা এই কথা বলার সাথে সাথে

ওর পিঠে দুইটা ডানা বেরিয়ে এলো।এবং ও আমার হাত ধরলো তখন আমি বললাম এইযে আমার

মহারানি আপনাকে কি আমার হাত দরে উরিয়ে নিতে বলেছি।তাহলে কি ভাবে নিবো বললো আফিয়া।

আরও ভালোবাসার গাল্প পেতে ভিজিট করুউঃ bentrick.xyz

বন্ধুরা আপনারা কি কথা ভুলে গেছেন নাকি

তখন আমি আফিয়াকে জরিয়ে ধরে বললাম এই ভাবে আমাকে জরিয়ে ধরে উপরে নিয়ে চলো। তখন আফিয়া বললো

সুধু শয়তানি করার ফন্দি খোঁজো।শয়তানি করার সুযোগই বা পাচ্ছি কোথা,আচ্ছা এখন বাদ দেও এই সব কথা চলো

বললাম আমি। তার পর আফিয়া আমাকে জরিয়ে ধরে উপরে নিয়ে এলো।আমাদের এই ভাবে উপরে আসা দেখে সাধু

লোকটা অবাক হয়ে গেলো।তিনি কোন কথা বলছে না হয়তো কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।আমাদের উপরে আসার

কিছু সময়ের মধ্যে সেই জ্বীনটা চলে এলো।জ্বীনটাকেও দেখতে বিশাল দানবের মতো,কিন্ত একি সে আমাদের দেখে

কোন আক্রমণ না করে আফিয়ার সামনে বসে পরলো।এবং বললো রাজকুমারী আপনি এখানে, কিন্ত কেনো এসেছেন এখানে।

তখন আফিয়া বললো আমরা এসেছি এই অভিশপ্ত ভালোবাসাকে মুক্ত করতে। আফিয়ার এবং জ্বীনের কথা শুনে

সাধু লোকটা আরো অবাক হয়ে পরে, হয়তো সে ভাবচ্ছে কি হচ্ছে এই সব।(যা ভাবার ভাবুক তাতে আমাদের কি)।

আফিয়া কথা শুনে জ্বীনটা উত্তর দিলো তাদের অভিশাপ

মুক্ত করার উপায় জানতে চাইলে আমাদের ওই ঘরে যেতে হবে।ওই ঘরে একটা যাদুর বাক্স আছে এবং সেই বাক্সতেই আছে এই অভিশাপ মুক্ত করার উপায়।কিন্ত এই বাক্স একজন মানব ছারা অন্য কেও খুলতে পারবে না।তখন আমি বললাম কে সেই মানব যাকে ছারা এই বাক্স খুলবে না।তখন জ্বীনটা বললো সেটা আমি জানিনা তবে বাক্সটাতে একটা রেখা বা চিহ্ন আছে।

এবং এই চিহ্নটা যার হতের সাথে মিলবে সুধু সেই মানব লোক এই বাক্স খুলতে পারবে। তখন আমি বললাম চিহ্ন, আচ্ছা দেখোতো আমার হাতের চিহ্নটার সাথে মিলে কি না।জ্বীন আমার হাতের চিহ্ন দেখে বললো হ্যাঁ হ্যাঁ এই চিহ্নটাতো একদমি বাক্সটার চিহ্ন মতো।

বন্ধুরা আপনারা কি কথা ভুলে গেছেন নাকি

তখন আমি বললাম আমাদের এখনি সেই বাক্সটার কাছে নিয়ে চলো।তার পর জ্বীনটা আমাদের সেই বাক্সটার কাছে নিয়ে গেলো।এবং আমরা বাক্সটা সামনে দারাতেই বাক্সটা একাই খুলে গেলো।এবং সাথে সাথে বেরিয়ে এলো একটা পুঁথি।

সেটাতেও আমার হাতের চিহ্নটার মতো এটা চিহ্ন আছে।তার নিচে লেখা আছে আগুনের দানব ও পানির দানবদের অভিশাপ মুক্ত করতে চাইলে এই ঘরের উপরে একটা মানুষের দুইটা পায়ের ছাঁপ।এবং প্রথম সূর্য উঠার সময় সেই পায়ের ছাপের উপরে দারিয়ে পশ্চিম দিক তাকিয়ে।

পানি ও আগুনের দানবের দিকে দুই হাত দুই দিকে ছরিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে দারিয়ে থাকতে হবে।

About admin

Check Also

ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আমি অনুভব করলাম কে

ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আমি অনুভব করলাম কে

ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আমি অনুভব করলাম কে, যেনো আমার বিছানার পাশে বসে রবীন্দ্র সংগীত গাইছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.