মৌশি নিজেকেও বেশ বকাঝকা করলো মনে মনে

মৌশি নিজেকেও বেশ বকাঝকা করলো মনে মনে একটা প্রতারকের জন্য নিজের হ্যাসবেন্ডকে অবহেলায় জর্জরিত করে।

তাকে পাথর তৈরী করেছে সে নিজেই। এখন সেই পাথরে মাথা ঠুকে নিজেকেই কষ্ট পেতে হয়।

কেমন বিচ্ছিরি ভাগ্য ওর। মৌশি এরেনকে ভালোবাসেনি নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মেরেছে।

মৌশির জীবন থেকে। এরেন পুরো ৩ বছর প্রেম করে সময়, অনুভূতি, বিশ্বাস নষ্ট করেছে ওর।

আরও ভালোবাসার গাল্প পেতে ভিজিট করুউঃ bentrick.xyz

মৌশি নিজেকেও বেশ বকাঝকা করলো মনে মনে

তারপর বিচ্ছেদ এর পর ও একটা বছর মরণ যন্ত্রণায় ভুগিয়েছে ওকে। একটা রাত একটা রাত ঠিক মতো ঘুমুতে

পারেনি মৌশি বিচ্ছেদের পর। প্রতারকটার স্মৃতি তারা করে বেরিয়েছে ওকে। অতিপরিচিত মানুষটার পরিবর্তিত রূপ

ভেতরটা ঝাজড়া করে দিতো ওর। ছটফটিয়ে কাটিয়েছে একটা বছর। কতইনা ঝামেলা করেছে বাবার সাথে। ঠিক মতো

কথাও বলেনি বাবার সাথে ও এসবের পর। তারপর নতুন জীবন শুরু করে নিজেই বোকামী করে ওই প্রতারকটার জন্যেই

একের পর এক ভুল করে গিয়েছে স্বামী নামক লোকটার সাথে। এরেনের জন্য ৪ টা বছর জীবন থেকে মরীচিকার

পিছনে ছুটেই ধ্বংস করে দিয়েছে মৌশি। এখন কী ঐ প্রতারকটার করা ভুলের মাসুল এভাবেই নিজ স্বামীর থেকে

অবহেলিত হয়ে দিতে হবে তাকে? তাও আজীবন? না কিছুতেই না। আরিয়ান ওকে অপছন্দ করেনা ওর যথেষ্ট

খেলার রাখে হয়তো অতটা সাপোর্টিভ না কিন্তু মানুষ

হিসেবে ওতোটাও খারাপ না আরিয়ান। মৌশি সব বুঝিয়ে বললে নিশ্চয়ই আরিয়ান বুঝবে ওঁকে? কিন্তু সেটাই তো পারেনা

মৌশি আরিয়ানের সামনে কথা বলতে গেলেই কাঠ হয়ে আসে গলা। আড়ষ্ট হয়ে আসে ধ্যান জ্ঞান সব।

আর বলাই হয়ে উঠে না কিছু। তবে মৌশি ঠিক করলো কয়েকদিনের মধ্যে আরিয়ানের সাথে একটু কথা বলার

চেষ্টা করবে ও। সত্যিই তো এভাবে তো আর চলে না। প্রতারক প্রেমিকের জন্য তো অনেক বেহায়া হয়েছে।

খন সবার জন্য নয়তো নিজের ভালোর জন্য একটুকু তো করতেই হবে ওর। চা খেতে খেতে ভাবনায় বিভোর

মৌশি বুঝতেই পারেনা রাত অনেক হয়েছে। ফোন কলের শব্দে ওর ভাবনার সুতোয় টান পরলো। ফোন

হাতে দেখলো ওর মা ফোন দিয়েছে। মার সাথে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে যখন বলল। ওর শাশুড়ি মেয়ের বাড়িতে বেরাতে গিয়েছে তখন।

মৌশি নিজেকেও বেশ বকাঝকা করলো মনে মনে

মৌশির আম্মা বলল, তাহলে আমি আরিয়ানকে বলি তোকে দিয়ে যেতে কাল। তোর শাশুড়ি মেয়ের বাড়ি গেলেই তো তুই একটু আমাকে দেখতে আসতে পারিস। তাছাড়া তোর শাশুড়িকে তোর আসার কথা বলাই যায় না।

মৌশি আনমনেই খুশি হয়ে গেলো মার কথা শুনে। দুই মাস আগে দুদিন থেকে এসেছিলো মার কাছে। আম্মা আর্শির বাড়ি গেলেই মৌশি বাবার বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পায়। তাছাড়া খুব কম যেতে দেয় আম্মা। শাশুড়ি অবশ্য এ কথা মুখের উপরেই বলেন।

মৌশি বাড়িনা থাকলে উনি বড্ড একা হয়ে যায়। তাই মৌশিকে বাবার বাড়ি যেতে দিতে চান না উনি খুব একটা। সত্যি বলতে বুঝেও মৌশির রাগ হয় তখন শাশুড়ির উপর। কিন্তু তবুও মেয়েদের সহ্য করে নিতে হয় সব। ইচ্ছে

About admin

Check Also

তোর সাথে তুই ভাষাটাই ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না

তোর সাথে তুই ভাষাটাই ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না

তোর সাথে তুই ভাষাটাই ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না, তুই আমার সাথে এমন করলি। এমন করলি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.