সত্যি বলতে বুঝেও মৌশির রাগ হয় তখন শাশুড়ির উপর

সত্যি বলতে বুঝেও মৌশির রাগ হয় তখন শাশুড়ির উপর, কিন্তু তবুও মেয়েদের সহ্য করে নিতে হয় সব।

ইচ্ছে থাকলেই যেন সব উপায় হয় না তেমন। মৌশি মাকে হাসি মুখেই জানালো আরিয়ানকে বলতে। মৌশির

আম্মা খুশি মনে আচ্ছা বলে মেয়েকে বিদায় জানলেন৷ মৌশি কান থেকে ফোন নামিয়ে দেখতে পেলো

ফোনের কোণায় রাত ১০ টা বাজে। মৌশির ভ্রু কুঁচকে আসে। আরিয়ান রাত৮ টায় সর্বদা বাড়ির ভেতর থাকে।

আরও ভালোবাসার গাল্প পেতে ভিজিট করুউঃ bentrick.xyz

সত্যি বলতে বুঝেও মৌশির রাগ হয় তখন শাশুড়ির উপর

আজ ও একা জেনেও আরিয়ান এত লেট করছে! তখন মনে পরলো আরিয়ান বলেছিলো ওর আসতে লেট হবে।

তাই মৌশি নিজেকে আস্বস্ত করলো হয়তো কোনও কাজ আছে। ও চায়ের কাপ হাতে কিচেনে গিয়ে পুরো ফ্ল্যাট গুছাতে

ব্যাস্ত হয়ে পরে। একে একে সব রুমের বিছানা পাটি গুছায়। তারপর ঝাড়ু হাতে তাকায় ফ্লোরের দিকে এই ট্যালির ঝটঝট

তকতক ফ্লোর অল্পতেই নোংরা হয়ে যায়। বাসায় আজ দুজন মানুষ এসেছে মনে হচ্ছে আজ ১ সাপ্তাজ ধরে হয়তো

কেউ ফ্ল্যাট ঝাড়ু দেয়নি। কি আশ্চর্য ব্যাপার এতো ধুলোবালি কই থেকে আসে মৌশি বুঝেনা। পুরো ফ্ল্যাট ঝাড়ু দিয়ে

মৌশি হাপিয়ে যায়। বেশ বড় সড় এই চার রুমের ফ্ল্যাটটা নাকি আরিয়ান নিজে কিনেছে ওকে বিয়ে করার কয়েক বছর

আগে। আরিয়ান একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে বেশ ভালো পজিশনে আছে। পড়াশোনায় নাকি আরিয়ান দুর্দান্ত ছিলো।

মৌশির তো মনে হয় ছেলেটার পছন্দও বেশ দুর্দান্ত। এই ফ্ল্যাট নাকি আরিয়ান নিজের পছন্দ মতো সাজিয়েছে।

মৌশি ভাবতে পারেনা কতটা সৌখিনতার সাথে এই ফ্ল্যাট

সাজিয়েছে আরিয়ান একজন ছেলে মানুষ হয়ে। তাকালে তাকিয়েই থাকতে ইচ্ছে করে শুধু। তবে আরিয়ান আর্শির লাইফ শুরু থেকেই নাকি এতটা সুন্দর গোছানো জীবন ছিলোনা।

বাবা ছোট বেলায় মারা যায় তাদের। দাদুর বাসায় চাচাদের সাথে লড়াই করে নাকি মৌশির শাশুড়ী ছেলে মেয়েকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। মফস্বল শহরে থেকে আরিয়ানের চাচাদের সাথে লড়াই করে নিজে ব্যাংকে জব করে ছেলে মেয়ের পড়াশোনার খরচ নিজে চালিয়েছেন।

আরিয়ানকে ঢাকা ভার্সিটিতে পরিয়েছেন। জীবন নামক যুদ্ধ জয় করে আজ এতো বছর পর শাশুড়ি তার সুখের দেখা পেয়েছেন। আরিয়ান আর্শি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর্শির ভালো জায়গায় বিয়ে দিয়েছে। তারপর আরিয়ান বিয়ে করেছে।

সত্যি বলতে বুঝেও মৌশির রাগ হয় তখন শাশুড়ির উপর

মূলত আর্শির বিয়ের সময় মফস্বল ছেড়ে ঢাকায় এই ফ্ল্যাট কিনে একেবারেই এখানে চলে এসেছে তারা। কারণ আরিয়ানের জবটা ঢাকাতেই।

মাঝেমধ্যে আম্মা নিজের শ্বশুর বাড়ি যায় তবে খুব একটা না। মৌশি বিয়ের পর শুধু একবার দেখেছে যেতে। কারণ আরিয়ানের চাচারা উনাকে খুব একটা পছন্দ করেন না।

কেননা উনি ছেলে মেয়ের ভালোর জন্য ঐ সব করেছে যা আর দশটা মেয়ে পারেনা তাদের বিরুদ্ধে গিয়েউ জব করেছে।

আরিয়ানকেও খুব একটা যেতে দেখা যায় না দাদুর বাড়ি। হয়তো নিজের মাকে তারা পছন্দ করেনা তাই নিজেও তাদের থেকে দুরত্ব বজায় রাখে সে।

About admin

Check Also

টেবিলে এক গ্লাস পানি ছিল পানিটা পান করলাম

টেবিলে এক গ্লাস পানি ছিল পানিটা পান করলাম

টেবিলে এক গ্লাস পানি ছিল পানিটা পান করলাম, সাথে সাথেই মাথা গুড়াইতে লাগল। নিতে পারছিলাম …

Leave a Reply

Your email address will not be published.