সরি তোমাকে এটা আগেই বলা উচিত ছিলো

সরি তোমাকে এটা আগেই বলা উচিত ছিলো, তুমি এখন আমার মেয়ে নিলার সাথে কাজ করবে, আমাদেন ফেক্টারি

আর এই হেড অফিস দুটাই তোমাকে কন্ট্রোল করতে হবে এখন, তবে তুমি চিন্তা করো না খুব তাড়াতাড়ি তোমার জন্য

একটা এসিসটেন্ট রাখার ব্যবস্থা করবো কয়টা দিন একটু কষ্ট করো কন্ঠটা শুনে আমার হৃদয়টা যেন মুহূর্তেই দিয়ে উঠলো,

আরও ভালোবাসার গাল্প পেতে ভিজিট করুউঃ bentrick.xyz

সরি তোমাকে এটা আগেই বলা উচিত ছিলো

আমার দু নয়ন যেন বিশ্বাস বলে কিছুই করতে পারছে না, যে এটা আর কেউ না স্বয়ং রাই? রাইকে দেখে রোহিকা

ভাবী সঙ্গে সঙ্গে বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে পরলেন।বেশ খানিকটা অবাক হয়ে যান তিনি।সবার চোখের চাহনি

এক মাত্র রাইয়ের দিকে।রাই কে দেখে কিছুটা আস্থা ফিরে পেলাম আমি।কিন্তু রাই এখানে কেনো এসেছে?তার মানে

রাইয়ের বিয়েটা হয়নি?রাই কি সব সত্যিটা জানতে পেরেছে?অসম্ভব রাই কি করেই বা এসব জানবে?মাথায় কিছুই

ঢুকছে না আমার!সব কিছুই নিজের ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিয়েছি।জানি না এখন ঠিক কি থেকে কি হতে চলেছে।

রাই যখন এখানে এসেছে তাহলে নিশ্চয়ই তার পিছনে কোনো বড় আকারের কারণ রয়েছে।মেডিক্যাল রিপোর্ট

হাতে নিয়ে ফ্লাটের ভেতরে প্রবেশ করতে করতে রাই কিছুটা গম্ভীর কণ্ঠে বললো, যে কোনো দিন সন্তানের পিতাই

হতে পারবে না সে কি করে রোহিকা ভাবী কে প্রেগনেন্ট করে?হাস্যকর! কথাটা বলার পরপরি সবার মুখের উপর মেডিক্যাল

রিপোর্ট গুলো ছুড়ে মারে রাই।সবাই যেন অনেকটা থমকে যায়।রোহিকা ভাবীও কেনো জানি কিছুটা ভয়ে ভয়ে রয়েছেন।

রোহিকা ভাবীর মামা মেডিক্যাল রিপোর্ট গুলো

ফ্লোর থেকে হাতে তুলে নিয়ে ভালো করে দেখার পর তিনিও অবাকের শীর্ষ স্থানটা লাভ করেছেন।কিছুটা বিচলিত হয়ে তিনি রোহিকা ভাবী কে জিজ্ঞেস করলেন, সত্যিই তো যে কোনো দিন সন্তানের মুখ অবধি দেখতে পারবে না সে কি করেই বা তোকে প্রেগনেন্ট করে?

মেডিক্যাল রিপোর্ট গুলোতে তো স্পষ্ট লিখাই আছ, ও কোনো দিন পিতা হওয়ার সুখটা অনুভব করতে পারবে না তাহলে এটা কি করেই বা সম্ভব? রোহিকা ভাবীর কপালটা ঘামে একাকার।ভয়ে তার গলাটা যেন শুকনো মরুভূমির মতো হয়ে গেছে।

এক হাত দিয়ে অন্য হাতের আঙ্গুল গুলো মুচরা-মুচরি করে আমতা-আমতা ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছেন না তিনি।রোহিকা ভাবীর চুপ করে থাকা কে কেন্দ্র করে রাই আবার বলল, সে এখন আমতা আমতা করা ছাড়া আর কি বা বলবেন?তার কাছে বলার মতো এখন কোনো শব্দই তার মুখে আর জন্ম নিতে চাচ্ছে

সরি তোমাকে এটা আগেই বলা উচিত ছিলো

না কারন শব্দ গুলোও হয়তে বুঝতে পেরেছে উনার মুখটা ঘৃনিত।তিনি একজন মিথ্যা-বাদী নিচু স্বভাবের নারী।তিনি আমার থেকে আমার স্বামী কে কেঁড়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছেন।প্রথমে আমাকে ভুল

বুঝিয়ে আমার থেকে শাহরিয়ার কে আলাদা করার চেষ্টা করেছেন।তারপর এখন মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে শাহরিয়ার কে তার বিষাক্ত গর্তে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।ওনার না আছে চরিত্র না আছে আত্য

About admin

Check Also

তোর সাথে তুই ভাষাটাই ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না

তোর সাথে তুই ভাষাটাই ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না

তোর সাথে তুই ভাষাটাই ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না, তুই আমার সাথে এমন করলি। এমন করলি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.